arrow_back
Back to Articles
Health Article
রমজানে কিডনি রোগীর সতর্কতা
Published: Sep 9, 2026 • Category: Health

রমজানে কিডনি রোগীদের জন্য খাদ্য, পানি ও ওষুধের সময়সূচি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সবাই রোজা রাখতে পারবেন কি না, তা একইভাবে বলা যায় না। রোগীর রিপোর্ট, কিডনির ধাপ, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ এবং ডায়ালাইসিসের অবস্থার ওপর সিদ্ধান্ত নির্ভর করে।
কারা আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
- CKD stage 3 বা তার বেশি
- ডায়ালাইসিস রোগী
- কিডনি প্রতিস্থাপনের রোগী
- অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস বা রক্তচাপ
- বারবার পানিশূন্যতা বা প্রস্রাব কমে যাওয়া
সেহরি ও ইফতারে সতর্কতা
অতিরিক্ত লবণ, ভাজাপোড়া, মিষ্টি পানীয় এবং বেশি পটাশিয়ামযুক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। চিকিৎসক অনুমতি দিলে সেহরি থেকে ইফতারের মধ্যে নির্ধারিত পরিমাণ পানি ভাগ করে পান করা ভালো।
ওষুধের সময়
রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ডাইইউরেটিক বা ফসফেট বাইন্ডারের সময় নিজে নিজে বদলানো ঠিক নয়। রোজার সময়সূচি অনুযায়ী চিকিৎসকের কাছ থেকে নতুন সময় লিখে নেওয়া উচিত।
যেসব লক্ষণে রোজা ভাঙতে হতে পারে
- অতিরিক্ত দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা
- প্রস্রাব খুব কমে যাওয়া
- শ্বাসকষ্ট
- রক্তচাপ খুব কমে বা বেড়ে যাওয়া
- রক্তে শর্করা খুব কমে যাওয়া
শেষ কথা
রমজানে কিডনি রোগীর নিরাপত্তাই সবচেয়ে আগে। রিপোর্ট দেখে ব্যক্তিগত পরামর্শ নিলে ঝুঁকি অনেক কমে।